গণপূর্তে ভবন সংস্কারের নামে কয়েক কোটি টাকা লোপাট নির্বাহী প্রকৌশলী মইনুল সিন্ডিকেটের

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকার সেগুনবাগিচাস্থ হিসাব ভবনের ৭নং ব্লকের ২য় তলায় করিডোরে টাইলস কার্য স্থাপন, ফলস সিলিং স্থাপন ও বিভিন্ন কক্ষে রং নবায়নের কাজের জন্য ১১ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে গত জুন মাসে। ৬ মার্চ দরপত্র গ্রহণ এবং ১৪ মার্চ চুক্তি সম্পাদন এবং ১৭ মার্চ-২০২৫ চুক্তিবাস্তবায়ন দেখিয়েছে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী। কিন্তুু সরেজমিনে গিয়ে এধরনের কোন কাজের অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায়নি। হিসাব ভবনের সংস্লিষ্ট ব্লকের কর্মকর্তা কর্মচারিরা জানান গত মার্চ মাসে এধরনের কোন কাজ হয়নি। টাইলস এবং ফলসসিলিং এর কাজ হয়েছে কয়েক বছর আগে। সদ্য সমাপ্ত অর্থ বছরে গণপূর্ত বিভাগ-৩ স্থাপনা মেরামত বা বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) এর মাধ্যমে ২১০ টি কাজের মাধ্যমে ১১ কোটি টাকা ব্যয় করেছে যার মধ্যে একটা বড় অংশই এরকম কাজ না করে বা নাম সর্বস্ব কাজ খাতা করমে দেখিয়ে বিল পরিশোধ করা হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী মইনুল ইসলাম এবং সংস্লিষ্ট প্রকৌশলীরা ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে কাজ না করে বিল দেওয়া অর্থ ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এবিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও ধরা ছোয়ার বাইরে রয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মইনুল ইসলাম। অভিযোগ রয়েছে অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও প্রভাবশালী এই প্রকৌশলী সিন্ডিকেট তদন্ত কমিটিকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করছেন।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের সংস্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মে মাসের শেষ দিকে বা জুন মাসে কোন প্রাক্কন অনুমোদন হওয়ার পর দরপত্র আহবান করে সঠিকভাবে কাজ সম্পন্ন করা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সম্ভব নয়। তার পরও অর্থ বছর শেষ হওয়ায় কাজ শেষ দেখাতে হয়েছে জুনের মধ্যে। তা না করলে বরাদ্দ অর্থ সরকারের কোষাগারে ফেরত যাবে। এ কারণে বেশির ভাগ নির্বাহী প্রকৌশলীই গোঁজামিল দিয়ে বা কাজ না করেই কাগজে কলমে কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে ঠিকাদারকে বিল দিয়ে দিয়েছেন। গত কয়েক বছরের এপিপির কাজগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায় প্রতিবছরই একই ধরনের কাজ দেখিয়ে ৯ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে।

এবার ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের শেষ দিকে এভাবে ঢাকার সেগুনবাগিচাস্থ অভিট কমপ্লেক্স ভবনের ৩য় তলায় বিভিন্ন কক্ষে টাইলস কার্য স্থাপন, ফলস সিলিং স্থাপন ও রং নবায়ন সহ আনুসাঙ্গিক কাজের নামে ১৮ লাখ ৭৯ হাজার টাকা, অভিট কমপ্লেক্স ভবনের বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট অডিট অধিদপ্তর এর বিভিন্ন কক্ষে ফলস সিলিং স্থাপন ও কাঠের দরজা স্থাপন, রং নবায়ন কাজের জন্য ৯ লাখ টাকা, মশাবাহিত ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের বিস্তার রোধে ঢাকার সেগুনবাগিচাস্থ কর অঞ্চল-৪ এর চত্বরে এডিস মশা নিধনের লক্ষ্যে ময়লা আবর্জনা অপসারণ কাজের জন্য ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা এবং হিসাব ভবন চত্বরের আবর্জনা পরিস্কারের জন্য ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, হিসাব ভবনের সিএএফও (কৃষি মন্ত্রণালয়) এর করিডোরের টাইসল স্থাপন, ফলসসিলিং স্থাপনসহ কাজের জন্য ১২ লাখ ৩১ হাজার টাকা, হিসাব ভবনের বাহিরের ৩টি লিফট এর কয়েকটি গ্লাস পরিবর্তন, এসিপি স্থাপন কাজের জন্য ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকা এবং অডিট কমপ্লেক্স ভবনের বিভিন্ন ফ্লোরের ও সীমানা প্রাচীরের রং নবায়ন কাজ দেখিয়ে ৯ লাখ ১৯ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

সেগুনবাগিচাস্থ হিসাব ভবনের সিএএফও (স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়) এর কার্যালয়ের করিডোরে টাইলস স্থাপন, ফলস সিলিং স্থাপন, রং নবায়ন ও টয়লেট সংস্কারের নামে ১১ লাখ ১৭ হাজার টাকা এবং অভিট কমপ্লেক্স ভবনের বাণিজ্যিত অডিট অধিদপপ্তরের ৮ম ও ৯ম তলায় বিভিন্ন শাখা কক্ষে প্লাষ্টার নবায়ন রং নবায়ন স্যানিটারি ফিটিংক স্থাপনের জন্য ১৩ লাখ ৬৯ হাজার টাকা, হিসাব ভবনের সিএএফও (শ্রম মন্ত্রনালয়) এর কার্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষে প্লাষ্টার নবায়ন এবং নবায়ন স্যানিটারি ফিটিংস কাজের জন্য ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

ঢাকা সিদ্দিক বাজারস্থ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর এর ভবন নং ৩ এর পিছনে রান্নাঘর হতে ওয়ার্কশপ পর্যন্ত ড্রেন মেরামত এর জন্য ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের রাস্তার বিভিন্ন ভাঙা অংশের মেরামত, গেট ভবন, পুরুষ ওয়েটিং জোন, ভার্চুয়াল কোর্ট ভবন সিসিটিভি রুম এবং পুরুষ ওয়েটিং জোন, করতোয়া, সুরমা ও যমুনা ভবনের বিশেষ সেনিটারী মেরামতসহ বিভিন্ন ভবনের পানি সরবরাহ লাইনের সংস্কার কাজের জন্য ২০ লাখ ৪২ হাজার টাকা, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরাণীগঞ্জ এর অফিস কক্ষের প্রয়োজনীয় সিভিল ও সেনিটারী মেরামত এবং পুরুষ কারাগার-১ এর ২৪-৭০ অভ্যন্তরে কারা হাসপাতাল (সুরমা) ভবনের হাই কমোড প্রতিস্থাপনের জন্য ২ লাখ ৮৫ হাজার, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ৩টি বন্দী ব্যারাক ভবনে পানি সরবরাহ লাইন এর জ্যাম দূরীকরণ ও প্রয়োজনীয় ফিটিংস পরিবর্তন কাজে ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নিরাপত্তা রক্ষীদের জন্য একটি টয়লেট স্থাপনের জন্য ৩ লাখ টাকা, নবাবগঞ্জ থানা ভবনের স্যুয়ারেজ ও রেইন ওয়াটার পাইপ পরিবর্তনের জন্য ২ লাখ ৮৫ হাজার, তেজগাঁওস্থ বাংলাদেশ ফরম ও প্রকাশনা অধিদপ্তর ভবনের ওয়েটিং রুম, ফুড কর্নার, বাথরুম ওয়ালের উপরে থাই গ্লাস, স্যানিটারি ফিটিংস নবায়নের জন্য ১ লাখ ৫৯ হাজার, তেজগাঁওস্থ বাংলাদেশ ফরম ও প্রকাশনা অফিসের পুরুষ ও মহিলা নামাজ ঘরের জানালায় থাই গ্লাস স্থাপনসহ স্যানিটারি নবায়নের জন্য কাজ ৭ লাখ ৫৫ হাজার, তেজগাঁওস্থ বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তরের নতুন মহিলা টয়লেট স্থাপনসহ ক্যাশ সরকার কোয়ার্টারের যাবতীয় সংস্কাররের জন্য ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ঢাকার তেজগাঁওস্থ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর এর প্রশিক্ষন হলের টাইলস লাগানোর কাজে ৩ লাখ হিসাব ভবনের সিএএফও (ধর্ম মন্ত্রনালয়) এর কার্যালয়ের করিডোরে টাইলস স্থাপন, ফলস সিলিং স্থাপন স্যানিটারী ফিটিংস পরিবর্তন ও রং নবায়ন কাজের ১৪ লাখ ১১ হাজার টাকা, ঢাকার সেগুনবাগিচাস্থ অভিট কমপ্লেক্স ভবনের মিশন অডিট আধিদপ্তরের মহাপরিচালক কার্যালয়ের কক্ষে আধুনিকায়ন স্যানিটারী ফিটিংস স্থাপন কাজে ১১ লাখ ৩ হাজার টাকা, হিসাব ভবনে ডিপ টিউবওয়েল এর পাইপ ও মেরামত কাজে ১৩ লাখ ৪৯ হাজার টাকা, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পুরুষ কারাগার-১ এর অভ্যন্তরে সংস্কার কাজের ৩ লাখ ৭৪ হাজার টাকা এবং ৬টি ওয়াচ টাওয়ার ও সেন্টার টাওয়ারের টিনের ছাউনি পরিবর্তন কাজের ৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় কারাগারের পুরুষ কারাগার-১ এর প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখভাগে প্রবৃদ্ধি অংশে জরুরী মেরামত ও রং করন কাজ দেখিয়ে ৮ লাখ ৯৭ হাজার, ঢাকা সিদ্দিক বাজারস্থ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর কম্পাউন্ডে পানির পাম্পের ছিদ্রযুক্ত পানির পাইপ পরিবর্তন, ভূগর্ভস্থ জলাধার ও পাম্প হাউজের মেরামত কাজের নামে ৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা, অধিদপ্তর কম্পাউন্ডে ভবনসমূহের সেপটিক ট্যাঙ্ক, ইনস্পেকশন পিট পরিস্কার করন, ভাঙ্গা পিট, ড্রেন সমূহের মেরামত কাজের নামে ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর কম্পাউন্ডে গণপূর্ত সেকশন অফিসের টিনের চালা পরিবর্তনের নামে ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, কম্পাউন্ডে ভবন নং ৩ হতে পাম্প হাউজ সংলগ্ন গেট পর্যন্ত বাউন্ডারী ওয়ালের ফেন্সিং এর কাজের নামে ৫ লাখ ৬৩ হাজার টাকা, অধিদপ্তর এর ম্যাকানিক্যাল ওয়ার্কশপ এর প্রয়োজনীয় সিভিল স্যানিটারি মেরামত ও সংস্কার কাজের নামে ৪ লাখ ৫৮ হাজার টাকা, সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর এর ব্যারাক ক্যান্টিন ও সংলগ্ন রান্নাঘরের প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজের নামে ২ লাখ ৬৯ হাজার টাকা, ঢাকার তেজগাঁওস্থ জাতীয় নাক, কান, গলা ইন্সটিটিউট ভবনের স্যানিটারী ফিটিংস ও ফিকচার পরিবর্তন করে নতুন স্যানিটারী ফিটিংস ও ফিকচার লাগানোর নামে ৭ লাখ ৫২ হাজার টাকা, ইন্সটিটিউট ভবনের বিভিন্ন জায়গায় ওয়ালে সংস্কার কাজের নামে ৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা, জাতীয় নাক, কান, গলা ইন্সটিটিউট ভবনের জেনারেল ওয়ার্ড এবং কেবিনের ওয়াল ও ফ্লোরের ভাঙ্গা টাইলস পরিবর্তন করে নতুন টাইলস লাগানোর নামে ৮ লাখ ৩২ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

ঢাকার তেজগাঁওস্থ গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং প্রেসের স্টোর শাখার সংস্কার কাজের নামে ৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা, গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং প্রেসের বিভিন্ন শাখা, কড়িজোর ও বারান্দা সংস্কার নামে ১০ লাখ ৪৮ হাজার টাকা, সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসের নিচ তলা ও দ্বিতীয় তলার রুমের সংস্কার কাজের নামে ৮ লাখ ২১ হাজার টাকা, ঢাকা তেজগাঁওস্থ বিজি প্রেস অফিসার্স কোয়ার্টারের আন্ডার গ্রাউন্ড রিজারভার এবং ওভার হেড ওয়াটার রিজারর্তার ট্যাংক পরিষ্কার করার নামে ৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকা, বিজি প্রেস অফিসার্স কোয়ার্টারের বাসা নং-পি/১, এম/৪, এন/৩, পি৫ এর সংস্কারকাজের নামে ২ লাখ ৮৫ টাকা, বিজি প্রেস স্টাফ কোয়ার্টারের সাব-ষ্টেশনের সংস্কার কাজের ৪ লাখ ৬৬ হাজার, ষ্টাফ কোয়ার্টারের এইচ ১৬ বাসার বিভিন্ন সংস্কার কাজের নামে ৪ লাখ ৭৩ হাজার টাকা, বিজি প্রেস স্টাফ কোয়ার্টারের ভবন নং-এম, এন এবং ও এর দেয়ালের ফাটল সংস্ক ারের নামে ৬ লাখ ৩৫ হাজার টাকা, বিজি প্রেস স্টাফ কোয়ার্টারের ভবন নং-পি থেকে আর এর দেয়াল এর ফাটল সংস্কারের নামে ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা, বিজি প্রেস অফিসার্স কোয়ার্টারের বাউন্ডারি ওয়াল সংস্কারের নামে ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা, বিজি প্রেস অফিসার্স কোয়ার্টারের বাসা নং ১ ও ২ এর ছাদ সংস্কারের নামে ৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

ঢাকা জেলায় মিল ব্যারাক পুলিশ লাইন্সে স্টাফ কোয়াটার কাঞ্চন ভবনের পানি সরবরাহ ও পয়ঃপ্রণালী লাইনের জরাজীর্ণ পাইপ পরিবর্তন সহ আনুষাঙ্গিক মেরামত ও সংস্কার কাজের নামে ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, মিল ব্যারাক পুলিশ লাইন্সে ৮০০ বর্গফুট বিশিষ্ট গন্ধরাজ ভবনের নষ্ট আস্তর নবায়ন, দরজা জানালা মেরামত কাজের নামে ৯ লাখ ৪৯ হাজার টাকা, পোস্তগোলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন শ্যাফ কোয়ার্টার ভবন নং ২ এর দরজা জানালা মেরামত ও রং করার নামে ৪ লাখ ৭২ হাজার টাকা, মিল ব্যারাক পুলিশ লাইন্সে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধে বিভিন্ন ভবনের চতুর্দিকের আগাছা ও ড্রেন পরিস্কারের নামে ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ঢাকাস্থ তেজগাঁও ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের বাংলো-১ এর দরজা, জানালায় থাই গ্লাস লাগানো, টাইলস বসানো, রং করা এবং কেন্দ্রীয় রেকর্ড ভবনের পয়:নিষ্কাশন লাইন মেরামত এবং গ্যারেজ কাম-ড্রাইভার কোয়ার্টারের নীচ তলায় গ্যারেজগুলোর সিলিং মেরামত, বিভিন্ন দরজা মেরামত, সুয়ারেজ লাইন মেরামত কাজের জন্য ১৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছিল। কিন্তুু গত জুন মাসে এই বাংলোর সুয়ারেজ লাইন সংস্কারের নামে ৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে অর্থ বছরের শেষমুহুর্তে অধিকাংশ কাজ না করেই ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মইনুল ইসলাম এবং ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-২ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ অন্য প্রকৌশলীরা কমিশনের বিনিময়ে বিল পরিশোধ করে আর্থিক ভাবে লাভবান হয়েছেন। ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে কাগজে কলমে কাজ সম্পন্ন দেখানো হয়েছে যা সুষ্ঠু তদন্ত হলে বেরিয়ে আসবে। ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মইনুল ইসলামের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযোগগুলো সঠিক নয় দাবি করেছেন।