দ্বিতীয় প্রজন্মের ২১ জন যাচ্ছেন সংসদে

রফিকুল ইসলাম সবুজ :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় প্রজন্মের এমপি হিসেবে জয়ী হয়েছেন ২১ জন যাদের পিতা বা মাতা একাধিকবার সংসদ সদস্য ছিলেন, কেউ কেউ ছিলেন মন্ত্রী বা এখনও জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। এর মধ্যে বিএনপির ১৯ জন এবং বিজেপির ১ জন ও জামায়াতের ১ জন। এবারও পিতা-মাতার দেখানো পথেই সক্রিয়ভাবে ভোটের মাঠে ছিলেন তাদের সন্তানরা। বিগত সরকারের আমলে আন্দোলন-সংগ্রামেও জোরালো ভূমিকা পালন করেছেন তারা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রার্থী হিসেবে জয় পেয়েছে সবচেয়ে বেশি। একসময় প্রভাবশালী নেতা ছিলেন যাদের সন্তানরা এবার ধানের শীষের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনের মাঠে নেমে জয় পেয়েছেন।

ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রার্থী হিসেবে জয় পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র দলটির বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নির্বাচনে দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তিনি। ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমান ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। এ ছাড়া বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমান পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট।

পঞ্চগড়-১ আসনে জয় পাওয়া মোহাম্মদ নওশাদ জমির সাবেক স্পিকার জমিরউদ্দিন সরকারের ছেলে। ৯৪ বছর বয়সি জমিরউদ্দিন সরকার এখনও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। নওশাদ বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক। ১৭ বছর আগে হারিয়ে ফেলা এই আসনটি পুনরুদ্ধার করেছেন তিনি। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নওশাদ জমির ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপি নেতা সারজিস আলম শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট।

সাবেক এমপি ও মন্ত্রী সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ঢাকা-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোট ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবদুল মান্নান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট। ইশরাক হোসেন ২৩ হাজার ১৫৩ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে হারিয়েছেন। ইশরাক হোসেন বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক কমিটির সদস্য।

নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে জয়ী হওয়া ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল সাবেক যুব ও ক্রীড়া এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে। তিনি নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন করা দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশনের সদস্য ছিলেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৪১৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৪১৯ ভোট।

যশোর-৩ আসনে জয় পাওয়া বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সাবেক খাদ্য, তথ্য, বন ও পরিবেশমন্ত্রী তরিকুল ইসলামের ছেলে। বিএনপি মনোনীত অমিত ২ লাখ ১ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল কাদের পেয়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৬৩ ভোট।

ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনে বিএনপির প্রার্থী শামা ওবায়েদ ৩২ হাজার ৯৫৩ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফতে মজলিস রিকশা প্রতীকের মো. আকরাম আলী পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৯৫৬ ভোট। শামা ওবায়েদ বিএনপির সাবেক মহাসচিব এবং সাবেক এমপি ও মন্ত্রী কে এম ওবায়দুর রহমানের মেয়ে। তিনি বর্তমানে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক।

ফরিদপুর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী নায়াব ইউসুফ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবদুত তাওয়াব পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ১১৫ ভোট। নায়াব ইউসুফ বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং একাধিকবারের এমপি ও সাবেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের মেয়ে। দাদা ইউসুফ আলী চৌধুরী (মোহন মিয়া) ব্রিটিশ ও পাকিস্তান শাসনামলে প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। নায়াব ইউসুফ বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য।

মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনে বড় ব্যবধানে জয়ী হওয়া বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এম নাসের রহমান সাবেক এমপি এবং অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র। তিনি এর আগেও এই আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৫৭টি ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৬৩৬ ভোট। এম নাসের রহমান ৭৯ হাজার ১২১ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া। তিনি সাবেক এমপি ও অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে। রেজা কিবরিয়া ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটভুক্ত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মো. সিরাজুল ইসলাম রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ১৩২ ভোট।

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও নগরের আংশিক) আসনে জয়ী হওয়া বিএনপির প্রার্থী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দীন পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৫৮৯ ভোট। মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের ছেলে।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির হুমাম কাদের চৌধুরী। তিনি ১ লাখ ১ হাজার ৪৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এ টি এম রেজাউল করিম পেয়েছেন ৪১ হাজার ৭১৯ ভোট। হুম্মাম কাদের চৌধুরী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সাবেক এমপি প্রয়াত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে।

বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাবেক এমপি ও মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের ছেলে সাঈদ আল নোমান বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে চট্টগ্রাম-১০ (পাহাড়তলী-ডবলমুরিং) আসনে নির্বাচন করে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে সাঈদ আল নোমান পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৯৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী পেয়েছেন প্রায় ৭৭ হাজার ভোট।

এ ছাড়া দ্বিতীয় প্রজন্মের এমপি হিসেবে সংসদে যাচ্ছেন গাজীপুর- ২ আসনের এম মঞ্জুরুল করিম রনি। তিনি সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নানের ছেলে। মঞ্জুরুল করিম রনি ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী আলী নাছের খান পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৫০ ভোট।

মানিকগঞ্জ-২ আসনে জয়ী হওয়া বিএনপির মঈনুল ইসলাম খাঁন সাবেক এমপি ও শিল্পমন্ত্রী শামসুল ইসলাম খানের ছেলে। তিনি ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম খেলাফত মজলিসের (দেওয়াল ঘড়ি) প্রার্থী মো. সালাহ উদ্দিন পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫৩১ ভোট। মঈনুল ইসলাম খান এর আগে ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে উপনির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে জয়ী হওয়া ইয়াসের খান চৌধুরী উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আনওয়ারুল হোসেন খান চৌধুরীর ছেলে। নান্দাইল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক। ধানের শীষ প্রতীকে ইয়াসের খান পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান এ কে এম আনোয়ার হোসেন চান পেয়েছেন ৭০ হাজার ১৫২ ভোট। ইয়েসের খান প্রায় ৩৫ বছর পর বাবা আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরীর আসন ফিরে পেলেন। ১৯৯১ সালে বাবা এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এমপি হয়েছিলেন।

মানিকগঞ্জ-৩ (সাটুরিয়া-সদর একাংশ) আসনে সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত বিএনপি নেতা হারুনার রশিদ খানের (মুন্নু) মেয়ে বিএনপি মনোনীত আফরোজা খানম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ সাইদ নূর রিকশা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট।

শেরপুর-২ নকলা-নালিতাবাড়ী আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৪৫৬ ভোট। ফাহিম চৌধুরী জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ প্রয়াত জাহেদ আলী চৌধুরীর ছেলে।

সিলেট-১ আসনে বিএনপির খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৩৬টি ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮৩টি ভোট পেয়েছেন। মুক্তাদিরের বাবা প্রয়াত খন্দকার আবদুল মালিক সাবেক সংসদ সদস্য।

কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে ৮০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত বিএনপির প্রার্থী রেজা আহমেদ ওরফে বাচ্চু মোল্লা। তিনি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা বেলাল উদ্দীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৫ ভোট। তিনি এর আগেও বিএনপি থেকে এ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার পিতা প্রয়াত আহসানুল হক মোল্লা একাধিকবার এ আসনের এমপি ছিলেন।

ভোলা-১ (সদর) আসনে সাবেক এমপি ও সাবেক মন্ত্রী নাজিউর রহমান মঞ্জুর ছেলে বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ বিজয়ী হয়েছেন। বিএনপি জোটের প্রার্থী হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো তিনি এমপি নির্বাচিত হন। এর আগে ২০০৮ সালে তিনি এ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। আন্দালিব রহমান পার্থ পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৪৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৭৭৩ ভোট।

পিরোজপুরে দুটি আসন থেকে সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর দুই ছেলে জামায়াতে ইসলামীর হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তাদের মধ্যে বড় ছেলে শামীম সাঈদী বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে গেছেন। পিরোজপুর-১ আসনে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ছোট ছেলে মাসুদ সাঈদী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৫৯ ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী আলমগীর হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ১০৫ ভোট।
সুত্র: সময়ের আলো